The Theft of India: The European Conquests of India, 1498-1765
৳ 1,750.00 Original price was: ৳ 1,750.00.৳ 990.00Current price is: ৳ 990.00.
ভারত কীভাবে ইউরোপীয় শক্তির কাছে ধীরে ধীরে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে অধীন হয়ে পড়ল? পর্তুগিজদের আগমন থেকে শুরু করে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা—এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, সামরিক শক্তি, কূটনীতি, ধর্মীয় আকাঙ্ক্ষা এবং সম্পদ দখল কীভাবে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত ছিল?
Roy Moxham-এর The Theft of India: The European Conquests of India, 1498–1765 এই প্রশ্নগুলোকে সামনে রেখে ভারতে ইউরোপীয় শক্তির প্রবেশ এবং উপমহাদেশে তাদের ক্রমবর্ধমান আধিপত্যের ইতিহাস তুলে ধরে।
বইটির সময়সীমা শুরু হয় ১৪৯৮ সালে ভাস্কো দা গামার ভারতে আগমন থেকে এবং শেষ হয় ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভের মধ্য দিয়ে। এই সময়ের মধ্যেই ইউরোপীয় বণিকদের উপস্থিতি ধীরে ধীরে ভারতের রাজনৈতিক ক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ অংশে রূপান্তরিত হয়।
বইটি কী নিয়ে?
ভারতের ইতিহাসে ইউরোপীয় উপনিবেশবাদের সূচনা অনেক সময় ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ব্যাখ্যা করা হয়। কিন্তু Moxham-এর আলোচনায় ইউরোপীয় আগ্রাসন তারও অনেক আগে শুরু হয়েছিল।
পর্তুগিজ, ডাচ, ইংরেজ ও অন্যান্য ইউরোপীয় শক্তি ভারত মহাসাগরীয় বাণিজ্যব্যবস্থায় প্রবেশ করে। বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষার জন্য তারা সামরিক শক্তি ব্যবহার করে এবং ধীরে ধীরে উপকূলীয় অঞ্চল ও বন্দরগুলোর ওপর প্রভাব বিস্তার করতে থাকে।
এই প্রক্রিয়াকে অনুসরণ করতে গিয়ে বইটি দেখায়—বাণিজ্যিক কোম্পানি কীভাবে রাজনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী হয়ে উঠল এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ কীভাবে সাম্রাজ্যিক সম্প্রসারণের সঙ্গে যুক্ত হলো।
১৪৯৮: ভারত মহাসাগরে ইউরোপীয় প্রবেশ
ভাস্কো দা গামার ১৪৯৮ সালের ভারত আগমন দক্ষিণ এশিয়া ও ইউরোপের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়।
ইউরোপীয় শক্তিগুলো তখন ভারত মহাসাগরের লাভজনক বাণিজ্যপথের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে আগ্রহী। ভারতীয় উপমহাদেশের মসলা, বস্ত্র, মূল্যবান পণ্য এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক ইউরোপীয় বণিকদের কাছে বিপুল আকর্ষণের বিষয় ছিল।
Moxham-এর আলোচনায় এই আগমনকে শুধু একটি ঐতিহাসিক নৌযাত্রা হিসেবে দেখা হয় না; বরং এটি ভারতীয় অর্থনীতি ও বাণিজ্যের ওপর ইউরোপীয় প্রভাব বিস্তারের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার সূচনা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
বাণিজ্য থেকে সামরিক আধিপত্য
ইউরোপীয়দের ভারত আগমনের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল বাণিজ্য। কিন্তু বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে ইউরোপীয় শক্তিগুলো ক্রমে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে শুরু করে।
বন্দর, বাণিজ্যপথ ও বাজার নিয়ন্ত্রণের প্রতিযোগিতা তাদেরকে ভারতীয় শাসক ও অন্যান্য ইউরোপীয় শক্তির সঙ্গে সংঘাতে নিয়ে যায়।
বিশেষ করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ধীরে ধীরে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে সামরিক ও রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
এই পরিবর্তনই বইটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—কীভাবে একটি কোম্পানি একটি বিশাল ভূখণ্ডের রাজস্ব ও প্রশাসনের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে গেল।
পলাশী থেকে দেওয়ানি: ক্ষমতার পরিবর্তন
১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধ ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। কিন্তু শুধু পলাশীর যুদ্ধ দিয়ে ব্রিটিশ শাসনের উত্থানকে বোঝা যায় না।
পরবর্তী রাজনৈতিক ও সামরিক ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি লাভ করে। এর ফলে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার বিপুল রাজস্বসম্পদের ওপর কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।
এই পর্যায়টি ভারতীয় ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখান থেকেই একটি বাণিজ্যিক কোম্পানির হাতে ব্যাপক রাজস্ব ও রাজনৈতিক ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হওয়ার নতুন যুগ শুরু হয়।
‘Theft of India’—কেন এই নাম?
বইটির শিরোনাম The Theft of India সরাসরি একটি ঐতিহাসিক প্রশ্ন উত্থাপন করে—ইউরোপীয় শক্তিগুলো কীভাবে ভারতের সম্পদ ও অর্থনৈতিক শক্তিকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছিল?
বাণিজ্যিক সুবিধা, সামরিক দখল, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং রাজস্ব নিয়ন্ত্রণ—এসবকে পাশাপাশি রেখে বইটি ভারতের ওপর ইউরোপীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠার অর্থনৈতিক দিকটি বুঝতে সাহায্য করে।
এ কারণে বইটি শুধু যুদ্ধ ও শাসকদের ইতিহাস নয়; বরং সম্পদ, বাণিজ্য ও ক্ষমতার ইতিহাস হিসেবেও পাঠ করা যায়।
কেন The Theft of India পড়বেন?
ভারতে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিকতার সূচনা কীভাবে হয়েছিল তা বুঝতে হলে ১৭৫৭ সালের আগে ও পরে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকে একই ধারাবাহিকতায় দেখা জরুরি।
এই বই সেই দীর্ঘ ইতিহাসকে ১৪৯৮ থেকে ১৭৬৫ সালের সময়সীমার মধ্যে অনুসরণ করে। পর্তুগিজদের আগমন, ভারত মহাসাগরীয় বাণিজ্য, ইউরোপীয় প্রতিযোগিতা, ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উত্থান, পলাশীর যুদ্ধ এবং বাংলার দেওয়ানি—সবকিছুকে বৃহত্তর ঔপনিবেশিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করে দেখার সুযোগ দেয়।
বিশেষ করে বাংলার ইতিহাসের পাঠকদের জন্য ১৭৬৫ সালের দেওয়ানি লাভের পটভূমি বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পরবর্তী ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র ও রাজস্বব্যবস্থার বিকাশের সঙ্গে এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
বইটি থেকে যে বিষয়গুলো জানা যাবে
- ১৪৯৮ সালে ভাস্কো দা গামার ভারতে আগমন
- ভারত মহাসাগরে ইউরোপীয় বাণিজ্যের বিস্তার
- পর্তুগিজদের রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক আগ্রাসন
- ডাচ ও ইংরেজ বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতা
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উত্থান
- বাণিজ্য থেকে রাজনৈতিক ক্ষমতায় রূপান্তর
- ভারতীয় শাসকদের সঙ্গে ইউরোপীয় শক্তির সম্পর্ক
- পলাশীর যুদ্ধ ও এর রাজনৈতিক তাৎপর্য
- বাংলায় কোম্পানির ক্ষমতা বৃদ্ধি
- ১৭৬৫ সালের দেওয়ানি লাভ
- ভারতীয় সম্পদ ও ইউরোপীয় অর্থনৈতিক স্বার্থ
- ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের প্রাথমিক ভিত্তি
কারা পড়বেন?
- ভারতীয় উপমহাদেশের ঔপনিবেশিক ইতিহাসের পাঠক
- ব্রিটিশ শাসনের ইতিহাসে আগ্রহী শিক্ষার্থী
- বাংলার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইতিহাসের পাঠক
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ইতিহাস নিয়ে আগ্রহী গবেষক
- ভারত মহাসাগরীয় বাণিজ্যের ইতিহাসের পাঠক
- ইউরোপীয় উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ নিয়ে আগ্রহী পাঠক
- পলাশীর যুদ্ধ ও বাংলার দেওয়ানি নিয়ে জানতে আগ্রহী পাঠক
- দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক ইতিহাসের শিক্ষার্থী
ভারতীয় উপমহাদেশে ইউরোপীয় আধিপত্যের শিকড় খুঁজতে একটি দীর্ঘ ঐতিহাসিক সময়সীমা সামনে আনে The Theft of India। ১৪৯৮ থেকে ১৭৬৫—এই প্রায় তিন শতাব্দীর ইতিহাসের মধ্য দিয়ে বইটি দেখার সুযোগ দেয় কীভাবে বাণিজ্যিক আগ্রহ ধীরে ধীরে সামরিক শক্তি, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং রাজস্ব নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ঔপনিবেশিক ক্ষমতায় রূপান্তরিত হয়েছিল।
The Theft of India বইটির লেখক কে?
The Theft of India: The European Conquests of India, 1498–1765 বইটির লেখক Roy Moxham।
বইটি কী নিয়ে?
বইটি ১৪৯৮ সালে ভাস্কো দা গামার ভারতে আগমন থেকে ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভ পর্যন্ত ভারতে ইউরোপীয় শক্তির বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করে।
বইটির সময়কাল কত?
বইটির আলোচনার সময়কাল ১৪৯৮ থেকে ১৭৬৫ সাল।
ভারতে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিকতার ইতিহাসে ১৪৯৮ সাল কেন গুরুত্বপূর্ণ?
১৪৯৮ সালে ভাস্কো দা গামার ভারতে সমুদ্রপথে আগমন ইউরোপ ও ভারতের মধ্যে নতুন সমুদ্রবাণিজ্যিক সম্পর্কের সূচনা করে এবং ভারত মহাসাগরীয় বাণিজ্যে ইউরোপীয় শক্তির সরাসরি প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
The Theft of India কি পলাশীর যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করে?
হ্যাঁ। ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধ এবং তার পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ বইটির বৃহত্তর আলোচনার অংশ। বিশেষভাবে বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপট বোঝার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
১৭৬৫ সালের দেওয়ানি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি লাভ করে। এর মাধ্যমে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব আদায়ের ওপর কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ভারতে কোম্পানির রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ক্ষমতা আরও সুদৃঢ় হয়।
বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য The Theft of India কেন গুরুত্বপূর্ণ?
বাংলার ঔপনিবেশিক ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে ১৭৫৭ সালের পলাশী থেকে ১৭৬৫ সালের দেওয়ানি লাভ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বইটি সেই পরিবর্তনের বৃহত্তর ভারতীয় ও ইউরোপীয় প্রেক্ষাপট বুঝতে সাহায্য করে।
- The Theft of India
- Roy Moxham
- The European Conquests of India
- European conquest of India
- History of British India
- East India Company
- Vasco da Gama India
- Battle of Plassey
- Diwani 1765
- Colonial history of India
- European colonialism
- British colonialism
- ভারতের ঔপনিবেশিক ইতিহাস
- ইউরোপীয়দের ভারত দখল
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
- পলাশীর যুদ্ধ
- বাংলার দেওয়ানি
- ব্রিটিশ শাসনের ইতিহাস
- ভারতীয় অর্থনৈতিক ইতিহাস
- উপনিবেশবাদ
Related products
Memories of a Lacerated Heart
Deluxe:Mujib’s Blunders: The Powers and the Plot Behind His Killing


Climate
Fiction
History
Law
Social science
Fiction

Reviews
There are no reviews yet.